আদিবাসী ও সংখ্যালঘুবিষয়ক সংসদীয় ককাস পুনর্গঠিত

3

সংবাদদাতা।। আদিবাসী ও সংখ্যালঘুব্ষিয়ক সংসদীয় ককাসের পুনর্গঠন সভায় পুনর্গঠিত ককাসের সভাপতি মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা মুখে না বলে অসাম্প্রদায়িক চেতনা রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং এ ব্যাপারে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। তিনি পার্বত্য শান্তিচুক্তির দ্রুত বাস্তবায়নে যে জটিলতা দেখা দিয়েছে তার নিরসনে চুক্তির উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করে এর সমাধানে যেতে হবে বলে উল্লেখ করেন।

ককাসের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক রাশেদ খান মেনন পার্বত্য শান্তি চুক্তির অর্জনকে নস্যাতের লক্ষ্যে পাহাড়ে সর্বশেষ পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটানো হয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সাম্প্রদায়িক মানসিকতায় সমাজ সাম্প্রদায়িকতাবাদীদের দখলে চলে গেছে, শিক্ষাব্যবস্থাও চলে যাচ্ছে। শিক্ষাব্যবস্থাকেও সাম্প্রদায়িকতাবাদীরা অধিকতর সাম্প্রদায়িকীকরণের দিকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে।এমন এক পরিস্থিতিতে ককাসের ভূমিকা আজ সবিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

গত ৩০ এপ্রিল বিকেল সাড়ে চারটায় পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবে অনুষ্ঠিত আদিবাসী ও সংখ্যালঘুবিষয়ক সংসদীয় ককাসের সভায় ককাস পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত কমিটির সভাপতি, কার্যকরী সভাপতি ও সদস্য সচিব মনোনীত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী আ.ম ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী এবং ককাসের সাবেক সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মেজবাহ কামাল।

ককাসের  উপদেষ্টাম-লীতে রয়েছেন সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন, প্রাক্তন সাংসদ হাসানুল হক ইনু, সাংসদ আসাদুজ্জামান নূর,সাবেক সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা, সাবেক সাংসদ আ.ক.ম ফজলুল হক, চাকমারাজা দেবাশীষ রায় ও মানবাধিকার সংগঠক রানা দাশগুপ্ত।

অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এমপি, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি, ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি, শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, ডাকপ্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমদ পলক এমপি, মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি এমপি, পার্বত্য চট্ট্রগামবিষয়ক  প্রতিমন্ত্রী  কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি, গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী, সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, বীরবাহাদুর উশৈ সিং এমপি, এ্যাডভোকেট শ.ম রেজাউল করিম, দীপংকর তালুকদার এমপি, ড. বীরেন শিকদার এমপি, বেগম হাবিবুন নাহার এমপি, হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, অ্যারোমা দত্ত এমপি, মুহম্মদ জিয়াউর রহমান এমপি, সাবেক এমপি ঊষাতন তালুকদার, জয়া সেনগুপ্ত এমপি, ননী গোপাল ম-ল এমপি, পঙ্কজ নাথ এমপি, আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী এমপি, এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন এমপি, সৈয়দা জাকিয়া নূর এমপি, ড. মোহাম্মদ সাদিক এমপি ককাসের সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। সভায় আরো কয়েকজন সাংসদকে সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

টেকনোক্রেট সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন প্রফেসর ড. মেজবাহ কামাল, গৌতম কুমার চাকমা, সঞ্জীব দ্রং ও জান্নাত এ ফেরদৌসী। কাজল দেবনাথ, নির্মল রোজারিও, ভদন্ত সুনন্দপ্রিয় থেরো, ফ্লোরা বাবলিতা লাঙ, রাজকুমার শাও, গৌতম দেওয়ান কমিউনিটি প্রতিনিধি হিসেবে ককাসে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

কার্যকরী সভাপতির ভাষণে মন্ত্রী র.আ.ম ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী বলেন, কৌশলেই আমাদের এগুতে হবে। তিনি সংসদের বাজেট অধিবেশনের আগে ককাসের বৈঠকের ঘোষণা দেন।